শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়, নৈতিক অবক্ষয় ও ইন্টারনেট আসক্তির মতো মানবসৃষ্ট দুর্যোগও ভবিষ্যতে সমাজকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আফিয়া আখতার। তিনি বলেন, সঠিক শিক্ষা ও নৈতিকতার অভাবে সমাজে যে সংকট তৈরি হচ্ছে তা প্রতিরোধে এখনই সচেতন হতে হবে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আফিয়া আখতার বলেন, আগে সাইক্লোন, মহামারি, বন্যা, মরুকরণ, নদীতে পানিশূন্যতা বা সেচে পানি না আসাকে দুর্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু এখন মানুষের নৈতিক অবক্ষয়, খাদ্যে ভেজাল এবং ইন্টারনেটে অতিরিক্ত আসক্তিও সমাজের জন্য বড় ধরনের মানবসৃষ্ট দুর্যোগ হয়ে উঠছে।
তিনি বলেন, ইন্টারনেটে আমাদের সন্তানরা যেভাবে আসক্ত হয়ে পড়ছে, তা আধুনিক যুগের এক বড় মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। এর ফলে নৈতিকতা, আচরণ ও সামাজিকতার ওপর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
দুর্যোগ প্রতিরোধে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার নাগরিকদের সহায়তায় টিন ও পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। তবে এই সহায়তা যথেষ্ট নয়; দুর্যোগ মোকাবিলায় নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অগ্নিকা-ের ঝুঁকিও বেড়েছে। যে কোনো সময় অফিস বা প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগতে পারে। পাশাপাশি ভূমিকম্পের ঘটনাও বিভিন্নভাবে ঘটছে। তাই ভবনগুলোতে নিরাপদ বহির্গমন পথ (সেফ এক্সিট) সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি।
শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, স্কুলে নিয়মিত মহড়ার মাধ্যমে শিশুদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে তারা ভবিষ্যতে এসব বিষয় মনে রাখবে। এ বিষয়ে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বহির্গমন ও দুর্ঘটনা মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
রাজশাহী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলী, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক নাফেয়ালা নাসরীন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ.কে.এম আনোয়ার হোসেন এবং রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. এনায়েত উল হক। এছাড়া রাজশাহী রেড ক্রিসেন্টের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর-এর বাস্তবায়নে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। পরে আলোচনা সভা শেষে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর একটি দল অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রস্তুতি বিষয়ে মহড়া প্রদর্শন করে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আফিয়া আখতার বলেন, আগে সাইক্লোন, মহামারি, বন্যা, মরুকরণ, নদীতে পানিশূন্যতা বা সেচে পানি না আসাকে দুর্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু এখন মানুষের নৈতিক অবক্ষয়, খাদ্যে ভেজাল এবং ইন্টারনেটে অতিরিক্ত আসক্তিও সমাজের জন্য বড় ধরনের মানবসৃষ্ট দুর্যোগ হয়ে উঠছে।
তিনি বলেন, ইন্টারনেটে আমাদের সন্তানরা যেভাবে আসক্ত হয়ে পড়ছে, তা আধুনিক যুগের এক বড় মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। এর ফলে নৈতিকতা, আচরণ ও সামাজিকতার ওপর সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
দুর্যোগ প্রতিরোধে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সরকার নাগরিকদের সহায়তায় টিন ও পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে। তবে এই সহায়তা যথেষ্ট নয়; দুর্যোগ মোকাবিলায় নাগরিকদের সচেতন ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অগ্নিকা-ের ঝুঁকিও বেড়েছে। যে কোনো সময় অফিস বা প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগতে পারে। পাশাপাশি ভূমিকম্পের ঘটনাও বিভিন্নভাবে ঘটছে। তাই ভবনগুলোতে নিরাপদ বহির্গমন পথ (সেফ এক্সিট) সম্পর্কে সচেতনতা জরুরি।
শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই দুর্যোগ মোকাবিলায় সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, স্কুলে নিয়মিত মহড়ার মাধ্যমে শিশুদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে তারা ভবিষ্যতে এসব বিষয় মনে রাখবে। এ বিষয়ে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিরাপদ বহির্গমন ও দুর্ঘটনা মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
রাজশাহী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহা. সবুর আলী, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক নাফেয়ালা নাসরীন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ.কে.এম আনোয়ার হোসেন এবং রাজশাহী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা মো. এনায়েত উল হক। এছাড়া রাজশাহী রেড ক্রিসেন্টের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে রাজশাহী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর-এর বাস্তবায়নে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। পরে আলোচনা সভা শেষে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর একটি দল অগ্নি দুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রস্তুতি বিষয়ে মহড়া প্রদর্শন করে।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :